একুশে এক্সপ্রেসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়

0
537

ঢাকা টু নোয়াখালী চলাচলকারী একুশে এক্সপ্রেস বাসে ঈদুল ফিতর উদযাপন ফেরত ঢাকামুখী যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

৮ জুন সোনাপুর কাউন্টারে গিয়ে এসব অভিযোগের সততাও মিলেছে। যাত্রী সেজে টিকেট কিনতে গেলে দেখা যায় তারা নির্ধারণ ভাড়ার চেয়ে অধিকহারে টিকিটের মুল্য নিচ্ছে। টিকিটের নির্ধারিত মুল্য ৩৮০ টাকা থাকলেও ৪৫০ টাকা করে যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে।

যাত্রী সেজে আমাদের রিপোর্টার মিজানুর রহমান যখন একুশে এক্সপ্রেসের সোনাপুর কাউন্টারে যান তখন তিনি দেখতে পান কাউন্টারের পাশে একটি চার্ট ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে যেখানে টিকিটের মুল্য লেখা রয়েছে ৩৮০ টাকা। তখন তিনি নোয়াখালী থেকে ঢাকা যাওয়া জন্য দুটি সিট চান এবং এক হাজার টাকার নোট দেন তখনই তারা তাকে দুটি টিকিটির মুল্য টিকিটির গায়ে প্রথমে ৯০০ টাকা লিখে (একটু ভালো করে খেয়াল করলে বুঝতে পারবেন) সঙ্গে সঙ্গে কেটে ৭৬০ লিখেন। তখন ১০০ টাকা ফেরত দিলে মিজানুর রহমান প্রতিবাদ করতে থাকেন টিকিটের মুল্য এতো বেশি  কেনো রাখা হলো, এই বলে যখনই ছবি তুলতে যান তখনই কাউন্টারের একজন (ম্যানাজার পরিচয়দানকারী একজন) টিকিট কেড়ে নেন বলেন কি করবেন আপনি? সবাই একই দাম নিচ্ছে (ঢাকা-নোয়াখালী চলাচলকারী আরো দুটি বাস হিমাচল এক্সপ্রেস এবং লাল সবুজ)। এই নিয়ে কাউন্টারের লোকজনের সাথে চলতে থাকে প্রায় আধা ঘন্টার বাক-বিতণ্ডা।

এক পর্যায়ে তারা টাকা ফেরত দেন এবং বলেন টিকিট বিক্রি করবে না।

যাত্রীদের সাথে কথা বলতে গেলে পরিবহনটির সোনাপুর কাউন্টারে কর্মরত কর্মীরা বাধা দেন এবং হুম-ধামকি দেন। পরে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকে কিছু যাত্রীর সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা বলেন কি করবো ভাই তারা টিকিটের গায়ে লিখছে ৩৮০ কিন্তু নিচ্ছে ৪৫০। বলছে নিলে নেন না নিলে নাই। তখন বিপদে পড়ে বাধ্য হয়ে নিচ্ছি। সবগুলো বাসের কাউন্টারেই একই চিত্র। এই ধরণের প্রতারণায় যাত্রীর কাছে থাকছে না কোনো প্রমান যে তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নিবে বা অভিযোগ করবে।

সরকারের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে সজাগ তদারকীর কারণে পরিবহনগুলো এখন এই ধরণের যাত্রী হয়রানী শুরু করেছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে? এই সমস্যার সমাধান করবে কে? অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হচ্ছে- যাত্রীর কাছে নেই কোনো প্রমান? ইচ্ছে মতো ভাড়া নিচ্ছে কিন্তু টিকিটের গায়ে নির্ধারিত মুল্য লেখা হচ্ছে! যাত্রীরাও সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য এই ধরণের হয়রানি সহ্য করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here