লাকসাম আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী সন্ত্রাসী দিদারের দৌঁড়ঝাপ

0
116

জামাল উদ্দিন স্বপন, কুমিল্লা প্রতিনিধি: আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারীদের কালো তালিকায় লাকসামের বহুল আলোচিত সন্ত্রাসী, একসময়ের শিবির ক্যাডার, চিহ্নিত চাাঁদবাজ, নব্য কোটিপতি, মাদক সিন্ডিকেটের হোতা লাকসাম পৌর কাউন্সিলর আবদুল আলিম দিদারের নাম একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশের পর এলাকায় হৈ চৈ পড়ে যায়। লাকসামের সর্বত্র এনিয়ে চলে কানাঘুষা। অনেকে শুকরিয়া আদায় করে। এদিকে তালিকায় নাম প্রকাশের সাথে সাথে আবদুল আলিম দিদার তার ফেস বুকে পরপর তিনটি স্ট্যাটাস দেন। যাতে নিজেকে কুলষমুক্ত করার চেষ্টা করেন। যা, ”ঠাকুর ঘরে কে, আমি কলা খাই না” অনেকটা এরকমই ছিলো তার বক্তব্য। তবে শিবিরের সাথে তার সম্পৃক্ততা ছিলোনা, এটি বলার সাহস পায়নি। তার এসক স্ট্যাটাসে আশানুরুপ সমর্থন না পেয়ে সন্ধার পূর্বেই তা প্রত্যাহার করে নেন। যা জনমনে আরো সন্দেহের জন্ম দেয়। বর্তমান প্রজন্মের ছাত্রলীগের নেতাকমীদের সামনে লাকসামের বহুল আলোচিত আহাদ-মিজান হত্যাকান্ডের অন্যতম অভিযুক্ত দিদারের মুখোশ নতুনভাবে উন্মোচিত হয়। ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক কালবার্তা পত্রিকায় তার নারী কেলেংকারী ও একাধিক বিয়ে সম্পৃর্কিত মুখরোচক সংবাদ ছাপা হয়। সমাজে এধরনের একজন ঘৃণিত ব্যক্তি নবাব ফয়জুন্নেছা ও বদরুন্নেছা হাইস্কুলের সভাপতির আসন অলংকৃত করলেন কিভাবে? এ নিয়ে জনমনে ও অভিভাবক মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

আবদুল আলিম দিদারের চাাঁদাবাজিতে পশ্চিমগাঁও বাতাখালী অধিবাসীরা অতিষ্ঠ। এলাকায় বাড়ী তৈরী,সীমানা নির্ধারণ, বাউন্ডারি নির্মাণ সহ প্রতিটি ক্ষেত্রে তাকে চাঁদা প্রদান বাধ্যতামূলক। শালিস দরবারে চলে তদবির বাণিজ্য। আশানুরুপ উৎকোচ দিলেই মিলে কাঙ্খিত রায়। শালিশের জরিমানার টাকা জমা রাখতে হয় কাউন্সিলর দিদারের কাছে। যা ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি কখনোই পায় না। তার প্রতিবেশী মিনু বেগম যিনি পেশায় লাশ দাফন ও লাশের গোসল করার কাজে নিযোজিত, তার ৫০হাজার টাকার জন্য বহু বছর ধরে আদায়ের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে এখন আল্লাহর কাছে বিচার দিচ্ছে। তার এদরনের অপকর্মের তালিকা অনেক দীর্ঘ। জনৈক রহিমা বেগম নামক তার আশ্রয়দাতাকে জিম্মিকরে ইতিমধ্যেদখলকৃত জায়গা রেজিষ্ট্রি করে এখন কোটি টাকা খরচ করে ডুপ্লেক্স বাড়ির (?) মালিক আবদুল আলিম দিদার মাসখানেক আগে রহিমার মেয়েকে পতিতা সাজিয়ে থানায় চালান দেয়। আবার তার তত্বাবধানে কোর্ট থেকে মুক্ত করে! মূলতঃ এভাবেই জিম্মি ও হয়রানি করে দখলকৃত জায়গায় এখন তিনি রেজিস্ট্রিধারী মালিক। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো ইতিমধ্যে দিদারের এসব অপকর্ম পর্যবেক্ষণ ও নজরদারী শুরু করেছে। নিরুপায় হয়ে বিষয়টি দাপাচাপা দিতে ঢাকায় দৌড়াদৌড়ি শুরু করে দিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here